ইস্রায়েলীয়দের ইতিহাস: মশির (পিবিইউএইচ) অভিশাপ কি ঘটেছিল?

ইস্রায়েলীয়দের ইতিহাসকে অনুসরণ করতে আরও সহজ করে তুলতে আমি টাইমলাইন সমূহের এক শৃঙ্খলাকে তৈরি করতে যাচ্ছি যা তাদের ইতিহাসকে বর্ণনা করবে I একটি টাইমলাইনের মধ্যে ঈসা আল মসীহর সময় পর্যন্ত বাইবেলের অত্যন্ত পরিচিত ভাববাদীদের স্থাপন করে আমরা ইস্রায়েলীয়দের ইতিহাস আরম্ভ করছি I    

বাইবেলের অত্যন্ত পরিচিত ভাববাদীগণ

এই টাইম লাইন পাশ্চাত্য ক্যালেন্ডার ব্যবহার করে (এবং এটিকে মনে রাখুন সমস্তটি খ্রীষ্টপূর্বাব্দ বা খ্রীষ্টাব্দের তারিখে আছে) I বারগুলোর প্রস্থ দেখায় কত দীর্ঘ সময় অবধি ভাববাদীগণ বসবাস করেছিল I দায়ূদ (বা ডেভিড – পিবিইউএইচ) যাবুর আরম্ভ করার কারণে পরিচিত হয়েছিলেন এবং তিনি একটি রাজবংশের প্রথম রাজা ছিলেন যিনি যিরূশালেম থেকে শাসন করতেন I ঈসা আল মসীহ গুরুত্বপূর্ণ কারণ তিনি ইঞ্জিলের কেন্দ্রবিন্দু I  

আমরা সবুজ যুগে দেখি যে ইস্রায়েলীয়রা মিসরে দাস রূপে জীবন যাপন করতে থাকছিল I  

ফরৌণের দাস রূপে মিসর বাস করছে 

এই সময়কাল শুরু হয়েছিল যখন ইউসুফ (বা যোষেফ) ইব্রাহিমের প্রপৌত্র তার লোকেদের মিসরে নিয়ে গেল, কিন্তু তারা সেখানে দাসে পরিণত হ’ল I মশি (পিবিইউএইচ) ইস্রায়েলীয়দের নিস্তারপর্বের চিহ্নর সাথে মিসরের বাইরে নিয়ে গেল I  

তাই মশির (পিবিইউএইচ) সাথে ইস্রায়েলীয়দের ইতিহাস বদলে গেল এবং এটিকে এখন হলুদের মধ্যে দেখানো হয় I

তারা ইস্রায়েলের (বা পলেষ্টিয়) দেশে বাস করে I মশি (পিবিইউএইচ) তার জীবনের শেষ সময়কালে তাদের উপরে আশীর্বাদ এবং অভিশাপ সমূহ ঘোষণা করেন – যখন টাইমলাইন সবুজ থেকে হলুদে যায় I অতএব সাত শত বছর ধরে ইব্রাহিমের 1 ন. চিহ্নর মধ্যে ইস্রায়েলীয়রা এই প্রতিশ্রুত দেশে বাস করে I যাইহোক, তাদের কোনো রাজা ছিল না, নাতো তাদের কাছে যিরূশালেমের রাজধানী নগর ছিল – এটি এই সময়কালের মধ্যে অন্য লোকেদের কাছে ছিল I

যাইহোক, প্রায় 1000 খ্রীষ্টপূর্বাব্দে ইস্রায়েলীয়দের কাছে দায়ূদকে প্রেরণ করার সঙ্গে এটির পরিবর্তন ঘটে I 

যিরুশালেম থেকে শাসনকারী রাজা দায়ূদের সঙ্গে বাস করছে 

দায়ূদ (পিবিইউএইচ) যিরূশালেমকে জয় করেন এবং এবং এটিকে তার রাজধানী নগর তৈরী করেন যেখানে রাজার রাজপ্রাসাদ ছিল এবং তিনি ভাববাদী শমুয়েলের (পিবিইউএইচ) দ্বারা রাজা হিসাবে অভিষিক্ত হলেন I এবং তার পুত্র সুলেমান (বা শলোমন), যিনি আবারও তার প্রজ্ঞার জন্য প্রসিদ্ধ, তার উত্তরাধিকারী হিসাবে শাসন করেন I শলোমন যিরূশালেমে সদাপ্রভুর উদ্দেশ্যে এক চমৎকার মন্দির নির্মাণ করেন I রাজা দায়ূদের বংশধর প্রায় 400 বচ্ছর ধরে শাসন করতে থাকল আর এই সময়কালকে হালকা নীলে দেখানো হয়েছে (1000-600 খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) এটি ইস্রায়েলীয়দের জন্য গৌরবময় যুগ ছিল – তারা প্রতিশ্রুত আশীর্বাদ সমূহকে দেখে চমকিত হল I তারা এক বিশ্ব শক্তি ছিল, এক অগ্রণী সমাজ ছিল, সংস্কৃতি ছিল, একটি মন্দির ছিল এবং এই একটি যুগ যখন ভাববাদীগণ আল্লাহর থেকে বার্তা পেয়েছিলেন এবং সেগুলো দায়ূদের আরম্ভ করা যাবুরের মধ্যে নথিভুক্ত আছে I অনেক ভাববাদীদের প্রেরণ করার কারণ হ’ল ইস্রায়েলীয়রা মুর্তিপুজা করে, দশ আজ্ঞা সমূহকে উল্লঙ্ঘন করে অধিকরূপে দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে উঠলো I তাই আল্লাহ তাদের কাছে ভাববাদীদের প্রেরণ করলেন তাদের সাবধান করতে এবং মনে করিয়ে দিতে যে মশির অভিশাপ তাদের উপরে নেমে আসবে I কিন্তু ইস্রায়েলীয়রা শুনলো না I 

অতএব অবশেষে 600 খ্রীষ্টপূর্বাব্দের আশেপাশে অভিশাপগুলো সত্য হ’ল I নবুখদনিৎসর, বাবিল থেকে এক শক্তিশালী রাজা এলেন – এবং ঠিক যেমন মশি তার অভিশাপের মধ্যে ভবিষ্যদ্বাণী করলেন যখন তিনি লিখলেন  

সদাপ্রভু তোমাদের বিরুদ্ধে দূর থেকে এক জাতিকে আনবেন … বৃদ্ধদের জন্য সম্মান হীন এবং বালকদের প্রতি কৃপা হীন এক হিংস্র-চেহারার জাতি … তারা দেশ জুড়ে সমস্ত নগর সমূহকে অবরোধ করবে

দ্বিতীয় বিবরণ 28:49-52

নবুখদনিৎসর যিরূশালেম জয় করলেন, একে পুড়িয়ে দিলেন, এবং মন্দির ধ্বংশ করলেন যাকে সুলেমান নির্মান করেছিল I তিনি তখন ইস্রায়েলীয়দের নিয়ে অধিকাংশদের তার বিশাল বাবিল জুড়ে নির্বাসিত করলেন I কেবলমাত্র দরিদ্র ইস্রায়েলীয়রা পেছনে পড়ে রইল I এইভাবে মশির ভবিষ্যদ্বাণী পূর্ণ হ’ল যে     

যে দেশ অধিকার করতে তোমরা প্রবেশ করছ সেখান থেকে তোমাদের নির্মূল করা হবে I তখন সদাপ্রভু সমস্ত জাতিগণের মধ্যে তোমাকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করবেন, পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত I (দ্বিতীয় বিবরণ  

28:63-64
পরাজিত এবং বাবিলে নির্বাসিত হ’ল I

সুতরাং 70 বছর ধরে, সময়কালকে লালে দেখানো হয়েছে, ইস্রায়েলীয়রা প্রতিশ্রুত দেশের বাইরে বন্দী রূপে বাস করল I 

তার পরে, পারস্য সম্রাট কোরস বাবিলকে জয় করলেন এবং কোরস পৃথিবীর সব থেকে শক্তিশালী ব্যক্তি হলেন I এবং তিনি একটি আদেশ জারি করলেন যা ইস্রায়েলীয়দের তাদের দেশে ফেরার অনুমতি দিল I 

যাইহোক তারা একটি স্বতন্ত্র দেশ আর রইলো না, তারা বিশাল পারস্য সাম্রাজ্যের মধ্যে এখন একটি প্রদেশ I এটি 200 বছর ধরে চলল এবং এটিকে টাইম লাইনের মধ্যে গোলাপীতে দেখান হয়েছে I এই সময়কালের মধ্যে মন্দিরকে (দ্বিতীয় মন্দির রূপে পরিচিত) পুনর্নির্মাণ করা হ’ল এবং পুরনো নিয়মের শেষ ভাববাদীদের কাছে তাদের বার্তাগুলো ছিল I 

আর তখন মহান আলেক্সান্দার পারস্য সাম্রাজ্যকে জয় করল এবং তার সাম্রাজ্যের মধ্যে ইস্রায়েলীয়দের এক প্রদেশে পরিণত করল যেটা আবারও আরও 200 বছর ধরে চলল I এটিকে গাড় নীলে দেখানো হয়েছে I 

তারপরে রোমীয়রা গ্রীক সাম্রাজ্যকে পরাজিত করল এবং তারা শক্তিশালী রোমান সাম্রাজ্যে পরিণত হ’ল I ইস্রায়েলীয়রা পুনরায় এই সাম্রাজ্যের এক প্রদেশে পরিণত হ’ল এবং এটিকে হাল্কা হলুদে দেখানো হয়েছে I ভাববাদী ঈসা আল মসীহ এই সময়ে ইস্রায়েলে থাকতেন I ইঞ্জিলের বিবরণের মাধ্যমে এটি ব্যাখ্যা করা হয়  কেন সেখানে রোমীয় রাজ্যপাল এবং রোমীয় সেনারা ছিল – কারণ ঈসা আল মসীহর জীবনকালে রোমীয়রা যিহূদিদের উপরে শাসন করত I রোমীয় সাম্রাজ্যের অংশ হিসাবে দেশটির মধ্যে বাস করছ

যাইহোক, বাবিলের সময় থেকে (600 খ্রীষ্টপূর্বাব্দ) ইস্রায়েলীয়রা (বা যিহূদি যেমন এখন তাদের ডাকা হয়) রাজা দায়ূদের অধীনে থাকার মতন আর কখনও স্বাধীন হয় নি I তারা অন্য লোকেদের অন্য সরকারদের দ্বারা শাসিত হয়েছিল I তারা এতে ক্ষুব্ধ হয়েছিল এবং ঈসা আল মসীহর চলে যাবার পরে তারা রোমীয় শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করল I স্বাধীনতার এক যুদ্ধ আরম্ভ  হ’ল I কিন্তু যিহূদিরা যুদ্ধে পরাজিত হল I কার্যত রোমীয়রা এলো এবং যিরূশালেমকে ধ্বংশ করল, দ্বিতীয় মন্দিরকে পুড়িয়ে দিল এবং দাস হিসাবে যিহূদিদের রোমীয় সাম্রাজ্য জুড়ে নির্বাসিত করল I যেহেতু এই সাম্রাজ্য এত বিশাল ছিল তাই যিহূদিরা প্রভাবশালীভাবে সমগ্র পৃথিবী ব্যাপী ছড়িয়ে পড়ল I   

আর এইভাবেই প্রায় 2000 বছর ধরে তারা বাস করল: বিক্ষিপ্ত, টুকরো টুকরো হয়ে বিদেশে জীবন যাপন করল এবং এই দেশগুলোতে কখনোই স্বীকৃত হ’ল না I অভিশাপের মধ্যে দেওয়া মশির কথা গুলো পূরণ হল যেন এটিকে লেখা হয়েছিল

… ওই জাতিগুলোর মধ্যে তুমি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখবে না, তোমার পদতলের কোনো বিশ্রাম স্থল দেখবে না I সদাপ্রভু সেখানে তোমাকে এক উদ্বিগ্ন মন, আকাঙ্খার সঙ্গে ক্ষীণ চোখ, এবং একটি নিরাশ হৃদয় দেবেন I   

দ্বিতীয় বিবরণ 28:65

তাহলে মশির অভিশাপগুলো কি পূরণ হয়েছিল? হ্যাঁ তারা পূরণ হয়েছিল, এবং প্রতিটি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে I ইস্রায়েলীয়দের বিরুদ্ধে অভিশাপগুলো দেওয়া হয়েছিল আমাদেরকে তৈরী করতে যারা যিহূদি নয় জিজ্ঞাসা করে:

সমস্ত জাতিগণ জিজ্ঞাসা করবে: “কেন সদাপ্রভু এই দেশের প্রতি এইরকম করলেন? কেন এই হিংস্রতা, জ্বলন্ত ক্রোধ?”

আর উত্তর হবে: “… সদাপ্রভূ তাদেরকে তাদের দেশ থেকে নির্মূল  করলেন এবং অন্য একটি দেশে ঢুকিয়ে দিলেন…”

দ্বিতীয় বিবরণ 29:24-25

আমাদের কাছে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন ভাববাদীদের সাবধান বাণীকে গম্ভীরভাবে গ্রহণ করা – কারণ আমাদের জন্যও সেখানে সাবধান বাণী হবে I 

অবশ্যই এই ঐতিহাসিক নিরীক্ষণ কেবল প্রায় 2000 বছর পূর্ব অবধি যায় I ভাববাদী মশির (পিবিইউএইচ) আশীর্বাদ এবং অভিশাপ সমূহ আমাদের আধুনিক যুগের মধ্যে কিভাবে পর্যবসিত হ’ল দেখতে এখানে ক্লিক করুন I      

মশির (পিবিইউএইচ) অভিশাপের উপসংহার কি ঘটেছিল?

আমরা দেখলাম ইস্রায়েলীয়দের ইতিহাসে 70 খ্রীষ্টাব্দে তাদেরকে পৃথিবীর সমস্ত দেশে নির্বাসিত এবং বিজাতীয় হিসাবে বসবাস করতে প্রতিশ্রুত দেশ থেকে  বহিষ্কৃত করা হল I প্রায় 2000 বছর পরে এটাই ছিল কোথায় এবং কিভাবে তারা বাস করত I এই বিভিন্ন রাষ্টগুলোতে তাদের থাকার সাথে সাথে তারা পর্যায়ক্রমে বিরাট নির্যাতন ভোগ করত I এটি খ্রীষ্টান ইউরোপে বিশেষভাবে সত্য ছিল I স্পেন থেকে নিয়ে পাশ্চাত্য ইউরোপে, রাশিয়ার সুসংগঠিত হত্যাসাধন এবং লুটপাট অবধি ইস্রায়েলীরা প্রায়শই একটি এক ভয়ংকর অবস্থার মধ্যে বাস করত I অভিশাপের মধ্যে মশির দেওয়া বাক্য যেমন লেখা ছিল পরিপূর্ণ হয়েছিল I 

… সেই দেশগুলির মধ্যে আপনি কোনও পায়ের বিশ্রামের জন্য বিশ্রামের জায়গা পাবেন না। সেখানে প্রভু আপনাকে উদ্বিগ্ন মন, আকাঙ্ক্ষার সাথে ক্লান্ত চোখ এবং হতাশ হৃদয় দেবেন।

দ্বিতীয় বিবরণ 28:65

নিচের টাইম লাইন দেখায় এই 2000 বছর যা বাইবেলের সময় থেকে ইস্রায়েলীয়দের ইতিহাসের পরে অনুসরণ করে I এই সময়কালকে একটি দীর্ঘ বারে দেখানো হয়েছে I 

মশি থেকে আজ পর্যন্ত যিহূদি লোকেদের একটি ঐতিহাসিক টাইমলাইন 

আপনারা দেখতে পারেন যে ইস্রায়েলীরা তাদের ইতিহাসের মাধ্যমে নির্বাসনের দুটি সময় কালের মধ্য দিয়ে গিয়েছিল কিন্তু নির্বাসনের দ্বিতীয় সময়কাল নির্বাসনের প্রথম সময়কালের (যা কেবল 600 থেকে 530 খ্রীষ্টপূর্বাব্দ পর্যন্ত ছিল) থেকে অনেক দীর্ঘ ছিল I  

যিহূদিরা তাদের সংস্কৃতিক অভিন্নতা বজায় রেখেছিল

আমার কাছে যেটি আকর্ষক তা হল যদিও ইস্রায়েলীদের কাছে সাংস্কৃতিক  শিকড় রাখার কোনো কেন্দ্রীয় স্থান ছিল না এবং যদিও তারা প্রচুর পরিমাণে বৃদ্ধি পায় নি (নির্যাতনে মৃত্যুর কারণে) তবুও 2000 বছরের সময়কালের মধ্যে তারা তাদের সাংস্কৃতিক অভিন্নতাকে কখনও হারায় নি I সেটি বাস্তবিকই উল্লেখযোগ্য I এখানে তৌরাতের মধ্যে জাতিগনের একটি তালিকা আছে যারা মশির (পিবিইউএইচ) 1 ন. চিহ্নর সময়ে প্রতিশ্রুত দেশে বাস করত I    

  8আর মিস্রীয়দের হস্ত হইতে তাহাদিগকে উদ্ধার করিবার জন্য, এবং সেই দেশ হইতে উঠাইয়া লইয়া উত্তম ও প্রশস্ত এক দেশে, অর্থাৎ কনানীয়, হিত্তীয়, ইমোরীয়, পরিষীয়, হিব্বীয় ও যিবূষীয় লোকেরা যে স্থানে থাকে, সেই দুগ্ধমধুপ্রবাহী দেশে তাহাদিগকে আনিবার জন্য নামিয়া আসিয়াছি।

যাত্রাপুস্তক 3:8

এবং আশীর্বাদ ও অভিশাপ দেওয়ার সময় থেকে

“তোমাদের শ্বর সদাপ্রভু যখন তোমাদের সেই দেশে নিয়ে এসেছেন যেখানে তোমরা অনেক জাতিকে হিট্টীয়, গির্গা, ইমোরীয়, কনানীয়, পেরিজিট, হিব্বীয় এবং যিবূষীয়দের বহন করবে এবং তোমাদের চেয়েও বড় ও শক্তিশালী সাতটি জাতিকে তাড়িয়ে দেবে।

যাত্রাপুস্তক 7:1

এই লোকেদের মধ্যে কেউ কি এখনও তাদের সাংস্কৃতিক এবং ভাষাগত অভিন্নতা বজায় রেখে বেঁচে আছে? না তারা অনেক আগেই লুপ্ত হয়ে গেছে I এই প্রাচীন ইতিহাস থেকে আমরা কেবল ‘গির্গাশীয়দের’ জানি I শক্তিশালী বাবিল, পারস্য, গ্রীক এবং পরে রোমীয় সাম্রাজ্যের দ্বারা এই জাতিগুলোর উপর বিজয় লাভ করার সাথে সাথে তারা তাদের ভাষা এবং অভিন্নতা দ্রুত হারিয়ে ফেলল যেমনি তারা এই বিশাল সাম্রাজ্যগুলোর মধ্যে মিশে গেল I কানাডায় বাস করার সময় আমি দেখি সমগ্র পৃথিবী থেকে বহিরাগতরা এখানে আসে I তৃতীয় প্রজন্মের পরে অভিবাসীদের দেশের সংস্কৃতি এবং ভাষা লুপ্ত হয়ে যায় জখম আমি খুব ছোট ছিলাম আমি সুইডেন থেকে কানাডায় অভিবাসী হয়েছিলাম I আমার ছেলে সুইডিশ ভাষায় কথা বলে না I নাতো আমার ভাই বা বোনের সন্তানরা I আমার পূর্বপুরুষদের সুইডিশ অভিন্নতা কানাডীয় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের মধ্যে অন্তর্হিত হয়ে যাচ্ছে I এবং এটি প্রায় সমস্ত অভিবাসীদের ক্ষেত্রে সত্য তাতে তারা চীন, জাপান, কোরিয়া, ইরান, দক্ষিন আমেরিকা, আফ্রিকা বা ইউরোপের দেশগুলো থেকে আসুক না কেন – তিন প্রজন্মের মধ্যে তা লুপ্ত হয়ে যায় I       

সুতরাং এটি উল্লেখযোগ্য যে ইস্রায়েলীরা, এমন ধরণের শত্রুতার মধ্যে বাস করছে, শতাব্দী ব্যাপী এখানে সেখানে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়, 15 মিলিয়নের উপর তাদের পৃথিবীব্যাপী জনসংখ্যা কখনও তাদের অভিন্নতা হারায় নি – ধর্ম, সংস্কৃতি এবং ভাষা – এমনকি যদিও এগুলো 2000 বছর ধরে স্থায়ী হয়েছিল I     

যিহূদিদের আধুনিক গণহত্যা – ব্যাপক হত্যা

পরে যিহূদিদের বিরুদ্ধে নির্যাতন এবং সুসংগঠিত হত্যাসাধন তাদের চরমে পৌঁছল I দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে নাৎসী জার্মানির মাধ্যমে ইউরোপে বসবাসকারী সমস্ত যিহূদিদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংশ করতে চেষ্টা করল I আর সে একটি যান্ত্রিক গ্যাস চুল্লী বানিয়ে তাদের সম্পূর্ণরূপে ধ্বংশ করতে প্রায় সফল হল I যাইহোক সে পরাজিত হল এবং অবশিষ্ট যিহূদিরা বেঁচে রইল I    

ইস্রায়েলের আধুনিক পুনর্জন্ম

আর পরে 1948 সালে যিহূদিরা, সংযুক্ত রাষ্ট্রের মাধ্যমে, ইস্রায়েলের আধুনিক রাষ্ট্রর উল্লখযোগ্য পুনর্জন্ম হল I এটি কেবলমাত্র এই ঘটনায় উল্লেখযোগ্য, যেমন উপরে উল্লিখিত হয়েছে, যে এখনও চতুর্দিকে লোকেরা ছিল যারা নিজেদেরকে এতগুলো বছর পরে ‘যিহূদি’ বলে সনাক্ত করেছিল I কিন্তু 3500 বছর পূর্বে লিখিত মশির এই কথাগুলো সত্য হওয়ার জন্য সেখানে একটি ‘তোমরা’ বা লোকেদের অবশিষ্ট থাকতে হয়েছিল যারা প্রতিশ্রুতিকে গ্রহণ করতে পারে I তাই তাদের দীর্ঘ নির্বাসনের সময়ের মধ্যেও তারা লোক হিসাবে টিকে রইল I    

… তাহলে প্রভু, তোমাদের Godশ্বর তোমাদের ভাগ্য ফিরিয়ে দেবেন এবং তোমাদের প্রতি মমতা করবেন এবং তিনি য়ে সমস্ত জাতিকে তোমাদের ছড়িয়ে দিয়েছিলেন সেখানেই তিনি আবার তোমাদের একত্র করবেন। এমনকি যদি আপনাকে আকাশের নীচে সবচেয়ে দূরের দেশে সরিয়ে দেওয়া হয় তবে সেখান থেকে theশ্বর সদাপ্রভু আপনাকে জড়ো করে ফিরিয়ে আনবেন।

দ্বিতীয় বিবরণ 30:3-4

এটি বাস্তবিকই একটি চিহ্ন যে আল্লাহ তার কথা রেখেছেন I

এছাড়া এটি আবারও তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য এই রাষ্ট্রটি বিরোধীদের বিরুদ্ধে স্থাপিত হয়েছিল I সেই অঞ্চলের বেশিরভাগ জাতি 1948 … 1956 … 1967 এবং পুনরায় 1973 সালে ইস্রায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হল I একটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র জাতি ইস্রায়েল প্রায়শই পাঁচটি জাতির সঙ্গে একই সময়ে নিজেকে যুদ্ধের মধ্যে পেল I তবুও না তারা কেবল বেঁচে থাকল, বরং তাদের সীমা বৃদ্ধি পেল I 1967 সালের যুদ্ধে যিহূদিরা দায়ূদের (ডেভিড) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত তাদের ঐতিহাসিক রাজধানী শহর যিরূশালেমকে পুনরায় ফিরে পেল I       

আল্লাহ কেন ইস্রায়েলের পুনর্জন্মের অনুমতি দিলেন

আজকের দিনে, এই সমস্ত আধুনিক অগ্রগতিগুলো অত্যন্ত বিতর্কিত I প্রায় অন্য কোন ঘটনা এত বেশি বিতর্কের উত্থাপন করে নি যতটা ইস্রায়েলের পুনর্জন্ম এবং এখন প্রায় রোজ ইস্রায়েলীয়দের প্রত্যাবর্তন ঘটছে – সমস্ত বিশ্বব্যাপী এই সমস্ত রাষ্ট্রগুলোর থেকে যেখানে তারা নির্বাসনের মধ্যে সহস্রাহিক বছর ধরে বাস করেছে I আর হয়ত আপনারা যত এটি নিজেরা পড়েন ততবেশি ক্রোধে পরিপূর্ণ হন I এটি নিশ্চিত নয় যে আজকের যিহূদিরা হিটলারের প্রায় সফলতাপূর্ণ গণহত্যার ঘটনার কারণে ধার্মিক – বেশিরভাগ অত্যন্ত ধর্মনিরপেক্ষ বা নাস্তিক I আর এই নয় যে তারা যথার্থরূপে   সঠিক I কিন্তু উল্লেখযোগ্য ঘটনা হ’ল যে অভিশাপের শেষে মশি যা লিখে গিয়েছিলেন তা ঘটেছে এবং এখনও আমাদের চোখের সামনে ঘটছে I কেন? এর মানে কি? আর এটি কিভাবে ঘটতে পারে তারা যখন এখনও মসীহকে প্রত্যাখ্যান করে? এগুলো গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন I তৌরাত এবং যাবুরের মধ্যে এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পাওয়া যেতে পারে I সবেমাত্র আমি যা লিখেছি আপনারা তা নিয়ে ক্রুদ্ধ, হয়ত তিক্ত হতে পারেন I কিন্তু আমরা হয়ত চূড়ান্ত রায়কে দুরে সরিয়ে রাখতে পারি যতক্ষণ না আমরা এই উল্লেখযোগ্য ঘটনা সম্বন্ধে ভাববাদীদের লেখার কয়েকটিকে বুঝতে পারি I তারা আমাদের উপকারের নিমিত্ত লিখেছিলেন – কারণ এটি সকলকে বিচারের দিকে নিয়ে যাবে – যিহূদি এবং একইভাবে বাকি সকলের জন্য I আমাদের এই ভাববাদীদের লেখা সম্বন্ধে কমপক্ষে জ্ঞাত হওয়া উচিত যাতে সমস্ত লেখা থেকে আমরা আমাদর রায় গঠন করতে পারি I আমরা যাবুরকে নিয়ে চলতে থাকি প্রশ্ন করতে কেন যিহূদিরা মসীহকে প্রত্যাখ্যান করল I        

ব্যবস্থাকে মান্য করা কতটা আমাদের প্রয়োজন?

মাঝে মাঝে আমাকে জিজ্ঞাসা করা হয় আল্লাহ সত্যই 100 প্রতিশত বাধ্যতা আশা এবং দাবি করেন কিনা I আমরা মানুষের মধ্যে এই বিষয় নিয়ে বাদানুবাদ করতে পারি তবে এই প্রশ্নটির উত্তর আল্লার দ্বারা দেওয়া হবে, আমাদের দ্বারা নয়, তাই পরিবর্তে আমি কেবল তৌরাত থেকে পদগুলোকে তুলে নিয়েছি যা আমাদের বলে ব্যবস্থার প্রতি বাধ্যতা কত দূর পর্যন্ত দরকার এবং  প্রত্যাশিত I সেগুলো নিচে আছে I লক্ষ্য করুন পদগুলো কত এবং সেগুলো কতটা স্পষ্ট I পদগুলো বাক্যাংশ সমূহে পরিপূর্ণ যেমন ‘সতর্কতার সঙ্গে অনুসরণ কর’, ‘সমস্ত আজ্ঞা সমূহ’, “তোমার সমস্ত হৃদয়”, “সর্বদা আজ্ঞা দেয়”, “সমস্ত কিছু”, “সমস্ত অধ্যাদেশগুলো”, “সম্পূর্ণরূপে মান্য কর”, “সমস্ত বাক্য সমূহ”, “সবগুলো শুনুন”I 

পরবর্তী ভাববাদীগণের সাথে সাথে 100 প্রতিশত বাধ্যতার এই গুণমানের কখনও পরিবর্তন হয় না I ইঞ্জিলের মধ্যে ঈসা আল মসীহ (পিবিইউএইচ) 

  17মনে করিও না যে, আমি ব্যবস্থা কি ভাববাদিগ্রন্থ লোপ করিতে আসিয়াছি; আমি লোপ করিতে আসি নাই, কিন্তু পূর্ণ করিতে আসিয়াছি। 18কেননা আমি তোমাদিগকে সত্য কহিতেছি, যে পর্য্যন্ত আকাশ ও পৃথিবী লুপ্ত না হইবে, সে পর্য্যন্ত ব্যবস্থার এক মাত্রা কি এক বিন্দুও লুপ্ত হইবে না, সমস্তই সফল হইবে। 19অতএব যে কেহ এই সকল ক্ষুদ্রতম আজ্ঞার মধ্যে কোন একটী আজ্ঞা লঙ্ঘন করে, ও লোকদিগকে সেইরূপ শিক্ষা দেয়, তাহাকে স্বর্গরাজ্যে অতি ক্ষুদ্র বলা যাইবে; কিন্তু যে কেহ সে সকল পালন করে ও শিক্ষা দেয়, তাহাকে স্বর্গ-রাজ্যে মহান্‌ বলা যাইবে।

মথি 5:17-19

আর ভাববাদী মহম্মদ (পিবিইউএইচ) হাদ্দিথের মধ্যে বললেন

আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা।) থেকে বর্ণিত: .. একদল ইহুদি এসে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) কে কফ-তে দাওয়াত দিয়েছিল। … তারা বলেছিল: ‘আবুলকাসিম, আমাদের একজন পুরুষ এক মহিলার সাথে ব্যভিচার করেছে; সুতরাং তাদের উপর রায় ঘোষণা করুন ’। তারা আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর উপর বসে একটি গদি রাখে, যারা এতে বসে বলেছিল: “তাওরাত নিয়ে এসো”। এটি তখন আনা হয়েছিল। অতঃপর তিনি তার তলদেশ থেকে কুশনটি সরিয়ে নিয়ে তাওরাতকে এই বলে রাখলেন: “আমি আপনাকে ও তাঁর প্রতি .মান এনেছি যে তোমাকে অবতীর্ণ করেছে।”

সুনানআবুদায়ূদপুস্তক38, ন. 4434

আর এটি বোধগম্য হয় I আল্লা স্বর্গ প্রস্তুত করছেন – আর এটি নিখুঁত এবং পবিত্র স্থান – যেখানে তিনি আছেন I সেখানে কোনো পুলিশ, কোনো সেনা বাহিনী, কোনো তালা – এবং অন্য সমস্ত নিরাপত্তা থাকবে না যেগুলো আজকের দিনে একে অপরের পাপ সমূহ থেকে আমাদেরকে রক্ষা করার জন্য রয়েছে I সেই কারণে এটি স্বর্গ হবে I কিন্তু এটিকে নিখুঁত স্থানে বজায় রাখতে, কেবল নিখুঁত লোকেরাই প্রবেশ করতে পারে – যারা ‘সকল’ আজ্ঞা সমূহ ‘সর্বদা’, ‘সম্পূর্ণরূপে’ এবং ‘সমস্ত কিছুর মধ্যে’ অনুসরণ করে I    

এখানে ব্যবস্থার প্রতি বাধ্যতার মাত্রা সম্পর্কে তৌরাত যা বলে সেটি প্রয়োজনীয় I

না আমি সমস্ত আজ্ঞাগুলো পালন করছি না

আমি দুঃখিত I এটি ভালো খবর নয় I আসলে এটি খুব খারাপ খবর কারণ এর অর্থ আপনার (এবং আমিও কারণ আমারও একই সমস্যা আছে) কাছে ধার্মিকতা নেই I ধার্মিকতা গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি ভিত্তি যা ঈশ্বরের রাজ্যকে এক স্বর্গে পরিণত করবে I এটি একে অপরের সাথে ব্যবহারের ক্ষেত্রে (মিথ্যা কথা, চুরি, হত্যা, মুর্তিপুজা ইত্যাদি নয়) যথার্থতা এবং আল্লাহর প্রতি উপযুক্ত আরাধনা হবে যা স্বর্গ নিয়ে আসবে I এই কারণে যাবুর দেখায় দায়ূদের পবিত্র রাজ্যে প্রবেশের জন্য ধার্মিকতার প্রয়োজন I কেবল এই ধরণের বর্ণিত লোকেরাই পবিত্র রাজ্যে প্রবেশ করবে এবং সেই কারণে এটি স্বর্গ হবে I   

 

1হে সদাপ্রভু, তোমার তাম্বুতে কে প্রবাস করিবে?তোমার পবিত্র পর্ব্বতে কে বসতি করিবে? 2যে ব্যক্তি সিদ্ধ আচরণ ও ধর্ম্মকর্ম্ম করে,এবং হৃদয়ে সত্য কহে। 3যে পরীবাদ জিহ্বাগ্রে আনে না,মিত্রের অপকার করে না,আপনার প্রতিবাসীর দুর্নাম করে না। 4যাহার দৃষ্টিতে পামর তুচ্ছনীয় হয়;যে সদাপ্রভুর ভয়কারীদিগকে মান্য করে,দিব্য করিলে ক্ষতি হইলেও অন্যথা করে না; 5সুদের জন্য টাকা ধার দেয় না,নির্দ্দোষের বিরুদ্ধে উৎকোচ লয় না;এই সকল কর্ম্ম যে করে, সে কখনও বিচলিত হইবে না।

গীতসংহিতা 15:1-5

পাপকে বুঝতে পারা

কিন্তু যেহেতু আপনি (এবং আমি) সর্বদা এইরকম নয়, যেহেতু আমরা সর্বদা আজ্ঞা সমূহ পালন করি না আমরা পাপ করি I পুরনো নিয়মের তৌরাতের ঠিক পরের বইয়ের একটি পদ একটি চিত্র দেয় যা আমাকে এটিকে ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে I পদটি বলে

16আবার এই সকল লোকের মধ্যে সাত শত মনোনীত লোক নেটা ছিল; তাহাদের প্রত্যেক জন কেশ লক্ষ্যে ফিঙ্গার পাথর মারিতে পারিত, লক্ষ্যচ্যুত হইত না।

বিচারকর্ত্তৃগণের বিবরণ 20:16

এই পদটি সৈন্যদের বর্ণনা করে যারা গুলতির পাথর মারতে পারদর্শী ছিল এবং কখনও লক্ষ্যচ্যুত হত না I তৌরাত এবং পুরনো নিয়ম ভাববাদীদের দ্বারা হিব্রুতে লেখা হয়েছিল I উপরে হিব্রুর মধ্যে יַחֲטִֽא׃ শব্দটিকে ‘লক্ষ্যচ্যুত’বলে অনুবাদ করাহয় (খাও-তাও রূপে উচ্চারিত) I এই একই হিব্রু শব্দটিকে তৌরাতের মধ্যে আবারও পাপ  বলে অনুবাদ করা হয় I উদাহরণস্বরূপ, এই একই হিব্রু শব্দ ‘পাপ’ হয় যখন যোষেফ, যাকে মিসরের কাছে এক দাস রূপে বিক্রী করা হয়েছিল, তার মনিবের স্ত্রীর সঙ্গে ব্যভিচার করত না, এমনকি যদিও সে তার কাছে অনুনয় করল (কোরানের মধ্যেও সুরাত 12:22-29 – ইউসুফে বর্ণিত আছে) I সে তাকে বলল:   

9এই বাটীতে আমা অপেক্ষা বড় কেহই নাই; তিনি সমুদয়ের মধ্যে কেবল আপনাকেই আমার অধীনা করেন নাই, কারণ আপনি তাঁহার ভার্য্যা। অতএব আমি কিরূপে এই মহা দুষ্কর্ম্ম করিতে ও ঈশ্বরের বিরুদ্ধে পাপ করিতে পারি?

আদিপুস্তক 39:9

এবং দশ আজ্ঞা দেওয়ার ঠিক পরে তৌরাত বলে:

20মোশি লোকদিগকে কহিলেন, ভয় করিও না; কেননা তোমাদের পরীক্ষা করণার্থে, এবং তোমরা যেন পাপ না কর, এই নিমিত্তে আপন ভয়ানকতা তোমাদের চক্ষুর্গোচর করণার্থে ঈশ্বর আসিয়াছেন।

যাত্রাপুস্তক 20:20

এই উভয় স্থানে এটি সেই একই হিব্রু শব্দ יַחֲטִֽא׃ যাকে ‘পাপ’ বলে অনুবাদ  করা হয় I এটি ‘লক্ষ্যচ্যুত’ এর জন্য সেই একই শব্দ সৈন্যদের সাথে ব্যবহৃত হয় যারা লক্ষ্যের প্রতি গুলতির পাথর মারে যেমনটি এই পদগুলোতে আছে যখন লোকেদের একে অপরের সঙ্গে আচরণের ব্যাপারে আলোচনা করে যার অর্থ হ’ল ‘পাপ’ I আল্লাহ আমাদেরকে এক চমৎকার চিত্র দিয়েছেন আমাদের বুঝতে সাহায্য করতে ‘পাপ; কি হয় I সৈন্যরা একটি পাথর নেয় এবং লক্ষ্যকে আঘাত করতে এটিকে গুলতি মারে I এটি যদি লক্ষ্যচ্যুত হয় তবে এর উদ্দেশ্য ব্যর্থ  হয় I সেই একইভাবে, আল্লাহ আমাদের সৃষ্টি করেছেন লক্ষ্যকে আঘাত করতে কিভাবে আমাদের তার আরাধনা করা উচিত এবং কিভাবে আমাদের এক অপরের সাথে আচরণ করা উচিত I ‘পাপ করা’ লক্ষ্যচ্যুত করা এই উদ্দেশ্যকে, বা লক্ষ্যকে, যা আল্লাহ আমাদের জন্য ইচ্ছা করেন I এটিই সেই পরিস্থিতি যেখানে আমরা আমাদেরকে দেখি যখন আমরা সমস্ত আজ্ঞাগুলোকে পালন না করি – আমরা আমাদের জন্য আল্লাহর ইচ্ছা থেকে লক্ষ্যচ্যুত হয়েছি I       

মৃত্যু – তৌরাতের মধ্যে পাপের পরিণাম

অতএব এর পরিণাম কি ছিল? আদমের চিহ্নর মধ্যে আমরা এর প্রথম ইঙ্গিত দেখেছি I যখন আদম অমান্য করল (কেবল একবার!) আল্লাহ তাকে মরণশীল করল I অন্য কথায় সে মারা যাবে I এটি নোহের চিহ্নর সাথে চলতে থাকল I আল্লাহ বন্যার মধ্যে মৃত্যু দিয়ে লোকেদের বিচার করলেন I এবং এটি লোটের চিহ্নর সাথে চলতে থাকল যেখানে বিচার পুনরায় মৃত্যু ছিল I ইব্রাহিমের পুত্রকে বলিদানে মরার ছিল I নিস্তারপর্বের দশম মহামারী প্রথমজাতর মৃত্যু ছিল I এই প্রবণতা এখন পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হ’ল যখন আল্লাহ মশির (পিবিইউএইচ) সাথে কথা বললেন I আমরা দেখি যে প্রস্তর ফলকের উপরে স্বয়ং আল্লাহ দ্বারা দশ আজ্ঞা সমূহ লেখার ঠিক আগে, তিনি নিম্নলিখিত আদেশগুলো দিলেন:  

  0তখন সদাপ্রভু মোশিকে কহিলেন, তুমি লোকদের নিকটে গিয়া অদ্য ও কল্য তাহাদিগকে পবিত্র কর, এবং তাহারা আপন আপন বস্ত্র ধৌত করুক, 11আর তৃতীয় দিনের জন্য সকলে প্রস্তুত হউক; কেননা তৃতীয় দিনে সদাপ্রভু সকল লোকের সাক্ষাতে সীনয় পর্ব্বতের উপরে নামিয়া আসিবেন। 12আর তুমি লোকদের চারিদিকে সীমা নিরূপণ করিয়া এই কথা বলিও, তোমরা সাবধান, পর্ব্বতে আরোহন কিম্বা তাহার সীমা স্পর্শ করিও না; যে কেহ পর্ব্বত স্পর্শ করিবে, তাহার প্রাণদণ্ড অবশ্য হইবে।

যাত্রাপুস্তক 19:10-12

এই নমুনা পুরো তৌরাত জুড়ে চলতে থাকে I পরে, ইস্রাযেলীয়রা আল্লাহকে পুরোপুরি মানল না (তারা পাপ করল) কিন্তু তাঁর পবিত্র স্থানের নিকটবর্তী হল I এখানে তাদের উদ্বিগ্নতাকে লক্ষ্য করুন যখন তারা পরিণাম সমূহকে   দেখল I

  12আর ইস্রায়েল-সন্তানগণ মোশিকে কহিল, দেখ, আমরা মারা পড়ি, বিনষ্ট হই, সকলেই বিনষ্ট হই। 13যে কেহ নিকটে যায়, সদাপ্রভুর আবাসের নিকটে যায়, সেই মরে; আমরা কি সকলেই মারা পড়িব?

গণনাপুস্তক 17:12-13

হারোণ (আরোণও – পিবিইউএইচ বলা হয়), মশির(পিবিইউএইচ) ভাই, যার নিজের পুত্ররা ছিল যারা পাপের সাথে আল্লাহর সর্বচ্চো স্থানের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে মারা গেল I    

 সদাপ্রভুর কাছে যাওয়ার সময় হারুনের দুই ছেলের মৃত্যুর পরে সদাপ্রভু মোশির সাথে কথা বলেছিলেন। সদাপ্রভু মোশিকে বলেছিলেন: “তোমার ভাই হারুনকে বল যে, তিনি যখনই সিন্দুকের প্রায়শ্চিত্তের coverাকনার সামনে পর্দার পিছনে পবিত্রতম স্থানটি বেছে নেবেন তখনই তিনি আসবেন না, তবে সে মারা যাবে। আমি প্রায়শ্চিত্তের কভারের উপরে মেঘে উপস্থিত হব।

লেবীয় 16:1-2

সুতরাং হারোণকে তার নিজের জন্য উপযুক্ত রূপে এই স্থানের নিকটবর্তী হতে নির্দেশ দেয়া হল I আর আল্লাহ তাকে এক যাজক রূপে নির্দেশ দিলেন:

  7অতএব তুমি ও তোমার সহিত তোমার পুত্রগণ তোমরা বেদি সম্পর্কীয় সকল বিষয়ে ও তিরস্করিণীর ভিতরের বিষয়ে নিজ যাজকত্ব পালন করিবে ও সেবাকর্ম্ম করিবে, আমি দানরূপে যাজকত্বপদ তোমাদিগকে দিলাম, কিন্তু যে অন্য গোষ্ঠীভুক্ত লোক নিকটবর্ত্তী হইবে, তাহার প্রাণদণ্ড হইবে।

গণনাপুস্তক 18:7

পরে কতিপয় কন্যা যাদের কোনো ভাই ছিল না মশিকে (পিবিইউএইচ) জমির উত্তরাধিকারের জন্য প্রস্তাব দিল I কেন তাদের পিতা মারা গিয়েছিল?

  3আমাদের পিতা প্রান্তরে মরিয়াছেন; তিনি কোরহের দলের মধ্যে, সদাপ্রভুর প্রতিকূলে চক্রান্তকারীদের দলের মধ্যে ছিলেন না; কিন্তু তিনি নিজ পাপে মরিয়াছেন, এবং তাঁহার পুত্র হয় নাই।

গণনাপুস্তক 27:3

সুতরাং সেখানে এক সার্বজনীন নমুনা স্থাপিত হ’ল, যাকে তৌরাতের শেষে সংক্ষিপ্তসার করা হল:

…প্রত্যেকে মারা যাবে তাদের নিজেদের পাপের জন্য

আল্লাহ ইস্রাযেলীয়দের শিক্ষা দিচ্ছিলেন (এবং আমাদের) যে পাপের পরিণাম মৃত্যু I

আল্লাহর করুণা

কিন্তু আল্লাহর করুণার কি হ’ল I তখন কোথাও কি তার স্বাক্ষ্য ছিল? আর আমরা কি এর থেকে শিখতে পারি? হ্যাঁ! এবং হ্যাঁ! এই করুণার প্রতি মনোযোগ দেওয়া  আমাদের পক্ষে গুরুত্বপূর্ণ যারা পাপ করেছি এবং ধার্মিকতার অভাব আছে I এটি আগেই পূর্ববর্তী একাধিক চিহ্নগুলোর মধ্যে ছিল I এখন এটিকে আরও স্পষ্টরূপে দেখা যাবে হারোণের চিহ্ন – একটি গাভী এবং দুটি ছাগলের মধ্যে I  

বই থেকে: লুটের চিহ্ন

সাইন লূত – কোরান   লোটের চিহ্ন – তৌরাত আদিপুস্তক 19
সুরত:: ৮০-83৩ (উচ্চতা)   ৮৮. আমরা লূতকেও প্রেরণ করেছিঃ তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেনঃ তোমরা কি জেনা করেছ যে, পূর্বে কখনও সৃষ্টির লোকদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়নি?   ৮১. “কেননা তোমরা পুরুষদের প্রতি নারীর চেয়ে পছন্দসই অভিলাষ অনুধাবন করছ ; তুমি প্রকৃতপক্ষে সীমালংঘনকারী সম্প্রদায়।”   ৮২. এবং তাঁর সম্প্রদায় এর জবাব ছাড়া আর কিছুই বলল না: তারা বলেছিল, ‘এগুলি তোমাদের শহর থেকে তাড়িয়ে দাও; এরা প্রকৃতপক্ষে পবিত্র ও পবিত্র হতে চায়! ”   ৮.. তবে আমরা তাকে ও তার পরিবারকে রক্ষা পেলাম তার স্ত্রী ব্যতীত, সে ছিল তাদের পিছনে যারা।   ৮৮. এবং আমি তাদের উপর ঝর্ণা বৃষ্টি বর্ষণ করলামঃ অতএব দেখুন, পাপ ও অপরাধে লিপ্ত হওয়া লোকদের পরিণতি কি হয়েছিল!    এস ইউরাট 11: 77-83 (দ্য হুড )   77. যখন আমাদের রসূলগণ লূতের নিকটে উপস্থিত হলেন, তখন তাদের বিবরণে তিনি দুঃখিত হলেন এবং নিজেকে রক্ষা করার জন্য নিজেকে শক্তিহীন বোধ করলেন। তিনি বলেছিলেন: “আজকের দিনটি অত্যন্ত দুঃখজনক।”   .৮. এবং তাঁর সম্প্রদায় তাঁর দিকে ছুটে এসেছিল এবং তারা জঘন্য কাজ করার অভ্যাস করেছিল। তিনি বললেন: “হে আমার সম্প্রদায়! এই যে আমার কন্যারা: তারা তোমাদের জন্য পবিত্র (যদি আপনি বিবাহ করেন)! এখন তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার অতিথির সম্পর্কে আমাকে লজ্জা দেবে না। তোমাদের মধ্যে কি একজনও সত্যনিষ্ঠ মানুষ নেই? ”   .৯. তারা বললঃ তুমি কি জান যে আমাদের কন্যাদের কোন প্রয়োজন নেই। আমরা যা চাই তা আপনি অবশ্যই জানেন ”   ৮০. তিনি বলেছিলেন: “আমি আপনাকে দমন করার ক্ষমতা পেতাম বা কিছুটা শক্তিশালী সহায়তার জন্য নিজেকে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারি।”   ৮১. (রসূলগণ) বললেনঃ হে লূত ! আমরা আপনার পালনকর্তার প্রেরিত! তারা কোন উপায়ে আপনার কাছে পৌঁছবে না! এখন আপনার পরিবারের সাথে ভ্রমণ করুন, রাতের একটি অংশ অবধি রয়ে গেলেন এবং তোমাদের কাউকে পেছনে ফিরে তাকাবেন না; তবে আপনার স্ত্রী (পিছনে থেকে যাবেন): লোকদের সাথে যা ঘটবে তা তারই হবে। সকাল তাদের সময় নির্ধারিত হয়: সকাল কি নিকটবর্তী নয়? ”   .২. যখন আমাদের ডিক্রি জারি হয়েছিল, তখন আমরা (শহরগুলি) উল্টো করে দিয়েছিলাম এবং তাদের উপর কাটা মাটির মতো ছড়িয়ে পড়া কাঁচা পাথর, ছড়িয়ে পড়া স্তরের স্তরে বৃষ্টি বর্ষণ করেছি – ৮.. আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে চিহ্নিত করা হয়েছে: তারা কখনও অন্যায়কারীদের থেকে দূরে নয়! 1 দুজন স্বর্গদূত সন্ধ্যায় সদোমে এসে পৌঁছেছিলেন এবং লোট শহরের প্রবেশদ্বারে বসে ছিলেন। … তিনি এত জোর দিয়েছিলেন যে তারা তাঁর সাথে গিয়ে তাঁর ঘরে .ুকল…। 4 তারা শুতে যাওয়ার আগে সদোম শহরের প্রতিটি জায়গা থেকে যুবক এবং বৃদ্ধ সবাই all বাড়ির চারপাশ ঘিরে ফেলেছিল। 5 তারা লোটকে ডেকে বলল, “আজ রাতে তোমার কাছে আসা লোকেরা কোথায়? এগুলি আমাদের কাছে এনে দাও যাতে আমরা তাদের সাথে সহবাস করতে পারি ”” … তারা লোটের উপরে চাপ বজায় রাখল এবং দরজাটি ভেঙে ফেলার জন্য এগিয়ে গেল 10 ১০ কিন্তু ভিতরে থাকা লোকেরা বাইরে এসে লোটকে বাড়ির দিকে টেনে নিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল… 12 এই দু’জন লোক লোটকে বললেন, “তোমার এখানে কি আর কেউ আছে — জামাই, ছেলেরা বা কন্যা, নাগরিক যে তোমার নিজের? তাদের এখান থেকে সরিয়ে নিন, 13 কারণ আমরা এই জায়গাটি ধ্বংস করব। সদাপ্রভুর কাছে এই লোকদের বিরুদ্ধে চিত্কার করা এত বড় যে তিনি আমাদের তা ধ্বংস করতে পাঠিয়েছেন। ”14 তখন লোট বাইরে গিয়ে তাঁর পুত্রবধূর সাথে কথা বললেন, যাদের তাঁর মেয়েদের বিয়ে করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, “তাড়াতাড়ি কর এবং এখান থেকে চলে যাও, কারণ প্রভু এই শহরটি ধ্বংস করতে চলেছেন!” কিন্তু তাঁর জামাইরা ভাবলেন তিনি কৌতুক করছেন .1 15 ফজরের আগমনের পরে স্বর্গদূতরা লোটকে অনুরোধ করলেন, তাড়াতাড়ি! আপনার স্ত্রী এবং আপনার মেয়েদের যারা এখানে আছেন তাদের নিয়ে যান, অথবা শহরটিকে শাস্তি দেওয়া হলে আপনি বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবেন ””  16 তিনি সংকোচনের পরে লোকেরা তাঁর হাত এবং তাঁর স্ত্রী ও তাঁর দুই কন্যার হাত ধরে শহর থেকে নিরাপদে তাদের বাইরে নিয়ে গেল, কারণ প্রভু তাদের প্রতি করুণাময় ছিলেন। 17 তারা তাদের বের করে আনার সাথে সাথে তাদের মধ্যে একজন বলল, “আপনার প্রাণে পালাও! পিছনে ফিরে তাকাবেন না, এবং সমতল কোথাও থামবেন না! পাহাড়ে পালিয়ে এসো বা তুমি ভেসে যাবে! ”…   23 লোট সোয়ারে পৌঁছার পরে সেই দেশের উপরে সূর্য উঠেছিল। 24 তখন সদাপ্রভু আকাশ থেকে সদোম ও ঘমোরার উপরে জ্বলন্ত সালফার বর্ষণ করলেন। 25 এইভাবে তিনি সেই শহরগুলি এবং পুরো সমভূমি এবং শহরগুলিতে বাসকারী সমস্ত লোককে এবং দেশের গাছপালাগুলি উপড়ে ফেলেছিলেন। 26 কিন্তু লোটের স্ত্রী ফিরে তাকাতে লাগল এবং সে লবণের স্তম্ভ হয়ে গেল।

বই থেকে: ইব্রাহিমের চিহ্ন (দ্বিতীয় খণ্ড)

ইব্রাহিমের চিহ্ন (দ্বিতীয় খণ্ড) – কুরআন ইব্রাহিমের চিহ্ন (দ্বিতীয় খণ্ড) – তৌরাত
সুরাত 37: 83-84,99-101 (দ্য Saffat ) 

৮.. নিঃসন্দেহে যারা তাঁর পথে চলেছিল তাদের মধ্যে ছিল ইব্রাহীম।

84. দেখুন! তিনি দৃ Lord় হৃদয়ে তাঁর পালনকর্তার নিকটে উপস্থিত হন



৯৯. তিনি বললেনঃ আমি আমার পালনকর্তার কাছে যাব! তিনি অবশ্যই আমাকে গাইড করবেন!

100. “হে আমার রব! আমাকে ধার্মিক (পুত্র) দান করুন! ” 101. সুতরাং আমরা তাকে সুসংবাদ দিয়েছিলাম একটি ছেলের ক্ষতি ও সহ্য করার জন্য প্রস্তুত।
আদিপুস্তক 15: 1-6

1 এর পরে, সদাপ্রভুর এই বাক্য দর্শনে অব্রামের কাছে উপস্থিত হল:
“অব্রাম, ভয় কোরো না;
আমি তোমার shাল, তোমার খুব বড় পুরষ্কার।

2 কিন্তু অব্রাম বললেন, “হে প্রভু সদাপ্রভু, যেহেতু আমি নিঃসন্তান রয়েছি এবং যে আমার সম্পত্তি জমিদারি করবে সে দামেস্কের ইলীয়েষর হবেন?” 3 অব্রাম বললেন, “তুমি আমাকে কোন সন্তান দেয় নি; সুতরাং আমার বাড়ির একজন চাকরই আমার উত্তরাধিকারী হবে। ‘

4 তখন সদাপ্রভুর এই বাক্য তাঁর কাছে এল: “এই লোকটি তোমার উত্তরাধিকারী হবে না, তবে তোমার নিজের দেহ থেকে আগত এক পুত্রই তোমার উত্তরাধিকারী হবে।” 5 তিনি তাকে বাইরে নিয়ে গিয়ে বললেন, “স্বর্গের দিকে তাকিয়ে দেখ এবং গণনা কর তারাগুলি – যদি আপনি সেগুলি গণনা করতে পারেন তবে তিনি তাকে বললেন, “তোমার পুত্ররাও তাই হবে”

6 অব্রাম সদাপ্রভুর উপরে বিশ্বাস করিলেন, এবং তিনি তাঁহাকে ধার্মিক প্রতিপন্ন করিলেন।

বই থেকে: কেইন ও হাবিলের চিহ্ন

সুরত ৫: ২৮-৩১ (মাইদা) আদিপুস্তক 4: 1-12
২৮. তাদের কাছে আদম (আঃ) এর দুই পুত্রের গল্পের সত্যতা শুনুন। দেখ! তারা প্রত্যেকে একটি কোরবানি পেশ করেছিল (আল্লাহর কাছে: এটি একজনের কাছ থেকে গৃহীত হয়েছিল, কিন্তু অপর পক্ষ থেকে নয়।) পরবর্তীকর্তা বলেছিলেন: “নিশ্চয়ই আমি তোমাকে হত্যা করব।” “অবশ্যই,” পূর্ববর্তী বলেছিলেন, “(আল্লাহ) গ্রহণ করেন? যারা সৎকর্মশীলদের কোরবানি। ২৯. “আপনি যদি আমার দিকে হাত বাড়িয়ে আমাকে হত্যা করেন, তবে আপনাকে হত্যা করা আপনার পক্ষে আমার হাত বাড়িয়ে দেওয়া নয়, কারণ আমি আল্লাহকে ভয় করি, বিশ্বজগতদের পালনকর্তা।” ৩০। “” আমার জন্য, আমি আপনাকে আমার নিজের পাপকেও নিজের উপর চাপিয়ে দিতে চাই, কারণ আপনি আগুনের সঙ্গীদের অন্তর্ভুক্ত থাকবেন এবং অন্যায়কারীদের প্রতিদান এটিই হবে। “৩১. (স্বার্থপর ) অপর ব্যক্তির আত্মা তাকে তার ভাইয়ের হত্যার দিকে পরিচালিত করল: সে তাকে হত্যা করল এবং সে নিজেই ক্ষতিগ্রস্থদের একজন হয়ে গেল, অতঃপর আল্লাহ তার কাস্তে প্রেরণ করলেন, যিনি মাটির উপর আঁচড়ান, কীভাবে তার লজ্জা গোপন করবেন তা দেখানোর জন্য। ভাই। “হায় আফসোস!” তিনি বলেছিলেন: “আমি কি এই কাকের মতো হতে পেরে ও আমার ভাইয়ের লজ্জা গোপন করতে পারি না?” তখন সে আফসোস হয়ে গেল — আদম তাঁর স্ত্রী হবার সাথে শুয়ে রইলেন এবং তিনি গর্ভবতী হয়ে কয়িনকে জন্ম দিলেন। তিনি বললেন, “সদাপ্রভুর সহায়তায় আমি একজনকে জন্ম দিয়েছি।” 2 পরে তিনি তার ভাই হাবিলের জন্ম দিলেন।
   হেবল পশুপাল করল এবং কয়িন মাটির কাজ করল। 3 কালীন কয়িন মাটির কিছু ফল সদাপ্রভুর উদ্দেশে উপহার হিসাবে নিয়ে এসেছিল। 4 কিন্তু হেবল তার পালের প্রথমজাতদের থেকে কিছু অংশ মোটা অংশ নিয়ে এসেছিল। 5 সদাপ্রভু হাবিল ও তাঁর উত্সর্গের প্রতি অনুগ্রহ সহকারে তাকালেন, 5 কিন্তু কয়িন ও তাঁর উত্সর্গের প্রতি তিনি অনুগ্রহ দেখলেন না। তখন কয়িন খুব রেগে গেলেন, আর তাঁর মুখ নীচু হয়ে গেল .6। তখন সদাপ্রভু কয়িনকে বললেন, “তুমি রাগ করছ কেন? তোমার মুখ নিচে কেন? 7 যদি আপনি ন্যায়বিচার করেন তবে কি আপনি গ্রহণ করবেন না? আপনি যদি সঠিক কাজ না করেন তবে পাপ আপনার দ্বারস্থ হচ্ছে; এটি আপনার কাছে থাকতে চায় তবে আপনার এটি অবশ্যই আয়ত্ত করা উচিত ”’8 এখন কেয়িন তার ভাই হাবিলকে বলল,’ আসুন আমরা মাঠে যাই” ‘ 9 তখন সদাপ্রভু কয়িনকে কহিলেন, তোমার ভাই হাবিল কোথায়?
   “আমি জানি না,” সে জবাব দিল। “আমি কি আমার ভাইয়ের রক্ষক?” 10 সদাপ্রভু বললেন, “তুমি কি করেছ? শুনুন! তোমার ভাইয়ের রক্ত ​​মাটি থেকে আমাকে ডাকছে। 11 এখন আপনি একটি অভিশাপের মধ্যে আছেন এবং জমি থেকে তাড়িয়ে চলেছেন, যা আপনার হাত থেকে আপনার ভাইয়ের রক্ত ​​গ্রহণের জন্য মুখ খুলল। 12 আপনি যখন জমিতে কাজ করবেন তখন তা আর আপনার ফসল ফলবে না। আপনি পৃথিবীতে একটি অস্থির ঘুরে বেড়াবেন।